সিলেট-৬ (গোলাপগঞ্জ- বিয়ানীবাজার) আসনে জমিয়ত মনোনীত প্রার্থী, হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম জনপ্রিয়তার শীর্ষে হওয়াতে বিজয়ের সম্ভাবনা তাঁরই বেশি।
সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) আসনে সম্ভাব্য বিজয়ের ধ্বনি তুলছেন তরুণ ও উদ্যমী প্রার্থী মাওলানা ফখরুল ইসলাম। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ যে কয়েকটি আসনে সময়োপযোগী ও জনগ্রহণযোগ্য মনোনয়ন দিতে পেরেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে, তার মধ্যে অন্যতম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন এই প্রার্থী।
মাঠের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা, সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানে উদ্যোগী ভূমিকা—এসব বৈশিষ্ট্যের কারণে তিনি বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ জুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বলে জানা গেছে।
জমিয়তের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো এমন প্রার্থী নির্বাচন করা, যারা বাস্তব সমস্যার সমাধানে সক্ষম এবং দলকে জনমুখীভাবে উপস্থাপন করতে পারে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে মাওলানা ফখরুল ইসলামের মতো আরও দক্ষ ও কর্মমুখী নেতাদের মাঠে আনা গেলে দলের সাংগঠনিক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তার সক্রিয় ভূমিকা ইতোমধ্যে জনগণের কাছে বড় গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করেছে। ফলে নির্বাচনের আগেই অর্জিত এই জনপ্রিয়তা তার জন্য একটি রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে কাজ করবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটগত সমীকরণে জমিয়ত যদি আলোচনার মাধ্যমে সিলেট-৬ আসনটি ধরে রাখতে পারে বা অন্তত উন্মুক্ত রাখা হয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত মাওলানা ফখরুল ইসলামই বিজয়ের পথে এগিয়ে আসবেন—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।
মাঠ জরিপ করে দেখা যায় জমিয়ত প্রার্থী হাফিজ মাওলানা ফখরুল ইসলাম সাহেব কথা দিয়ে নয় বরং কাজের মাধ্যমে সর্বস্তরের ভোটারদের মন জয় করে নিচ্ছেন, জনসাধারণের মন্তব্য বহুদিন পর হলেও গোলাপগঞ্জ বিয়ানীবাজার বাসী একজন প্রকৃত নেতাকে পেয়েছে যিনি দলমতের উর্ধে গিয়ে, রাস্তাঘাট, কাল বাট, মসজিদ, মাদরাসা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করে অল্প দিনে অধিক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, তাই ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬, আসনে জমিয়ত মনোনীত এই প্রার্থী বিজয় হওয়ার দৌড়ে সবার থেকে এগিয়। এছাড়া ব্যক্তি হিসেবে তিনি হাফিজ আলিম ও জেনারেল উভয় শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া এবং সর্বস্থরের গ্রহণযোগ্য আলিম উলামা তাঁকে সমর্থন প্রদান করার কারণে ইসলামি দলের একমাত্র প্রার্থী হিসেবে সবার নিকট তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। জমিয়ত ব্যতিত অন্যসব ইসলামি দলের আর কোন প্রার্থী আলিম না হওয়াতে ইসলামি দলের এক মাত্র আলিম প্রার্থী হওয়াতেও সবার মন তাঁর দিকে। সব কিছু ঠিকঠাক এবং সুন্দর পরিবেশে নির্বাচন হলে জমিয়ত প্রার্থীর বিজয় প্রায় নিশ্চিত বলে সবার ধারণা।

