সিলেট-৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী বাদ, ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুফতি আবুল হাসান

 



আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতার আওতায় ২৫৩টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতের দিকে রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা জানানো হয়।
আসন সমঝোতার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ–কানাইঘাট) আসনটি জামায়াতে ইসলামী ছাড় দিয়েছে খেলাফত মজলিসকে। ফলে, এই আসনের জন্য ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মুফতি আবুল হাসান-এর নাম।
এর আগে এই আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন হাফিজ আনোয়ার হোসেন খান। তবে জোট সমঝোতার ঘোষণা অনুযায়ী তাকে বাদ দিয়ে খেলাফত মজলিসের প্রার্থীকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন করা হয়।
উল্লেখ্য, সিলেট-৬ আসনে বিএনপি-জমিয়ত জোট থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আমির, শায়খুল হাদিস ও জননেতা মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, যিনি ২০১৮ সালের ২৩ দলীয় জোটের প্রার্থী ছিলেন।
এবার সিলেট-৫ আসনে দেশের শীর্ষ দুটি জোট থেকে প্রার্থী হয়েছেন দুইজন কাওমি ঘরনার আলিম  উভজনই নিজ নিজ স্থান থেকে জনগণের কাছে সম্মানী ও জনপ্রিয়। আগামী ১২ তারিখ ভোটের মাধ্যমে দেখা যাবে, জকিগঞ্জ–কানাইঘাটের ভোটাররা বিএনপি-জমিয়ত জোটের নাকি জামায়াত ও এনসিপি নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করবেন।
প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট জেলার এই আসন থেকে জামায়াতে ইসলামী একমাত্র সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। বর্তমানে তিনি গুরুতর অসুস্থ ও শয্যাশায়ী থাকায়, এবার হাফিজ আনোয়ার হোসেন খানকে মনোনয়ন দিয়েছিল জামায়াত। হাফিজ আনোয়ার হোসেন খান ৫ আগস্টের পর থেকে নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিতভাবে জনসেবায় নিয়োজিত ছিলেন। তবে সিলেট-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক অগ্রগতির পরও, জোটগত সমঝোতার কারণে জামায়াতের প্রার্থীকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ পড়তে হলো।


Previous Post Next Post