জকিগঞ্জের নদীভাঙন রোধে শতকোটি টাকা বরাদ্দ
নেপথ্যের ‘মহানায়ক’ ইকবাল আহমদ তাফাদার
সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার কুশিয়ারা নদীর ডাইক ভাঙন রোধ ও স্থায়ী ব্লক নির্মাণে শতকোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে থাকা সীমান্তঘেঁষা এই জনপদের জন্য বরাদ্দ পাওয়া অর্থকে সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
এই বিশাল বরাদ্দ প্রাপ্তির নেপথ্যে অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও সার্বিক তদারকির নেতৃত্ব দেন সিলেট জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ও জকিগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাফাদার। তার নিরলস উদ্যোগ ও ভূমিকার কারণে এলাকাবাসী তাকে এই উন্নয়নের ‘মহানায়ক’ হিসেবে আখ্যায়িত করছেন।
গতকাল শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক সাক্ষাৎকারে ইকবাল আহমদ তাফাদার বরাদ্দের বিষয়টি নিশ্চিত করে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান।
সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন,
“কুশিয়ারা ডাইকের ভাঙন শুধু একটি নদীভাঙনের বিষয় নয়, এটি আমাদের মানচিত্রের ভাঙন। নদীভাঙনের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের জন্মভূমি ছোট হয়ে যাচ্ছে। সীমান্তবর্তী এই অবহেলিত জনপদ রক্ষায় শতকোটি টাকার এই বরাদ্দ অত্যন্ত জরুরি ছিল।”
তিনি আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বরাদ্দকৃত অর্থ স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু তদারকির মাধ্যমে ডাইকে ব্লক নির্মাণের কাজে ব্যয় করা হলে জকিগঞ্জবাসী দীর্ঘমেয়াদি সুফল পাবে।
নির্বাচনী রাজনীতি ও পদ-পদবির ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে ইকবাল আহমদ তাফাদার বলেন,
“আমি জনপ্রতিনিধি থাকি বা না থাকি, জকিগঞ্জের মানুষের জন্য কাজ করে যাব। এই মাটিতেই আমার জন্ম। মা, মাটি ও মানুষের সেবা করতে পারা আমার জন্য গর্বের।”
দীর্ঘদিন ধরে কুশিয়ারা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত জকিগঞ্জবাসী এই বরাদ্দের খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। ইকবাল আহমদ তাফাদারের উদ্যোগে সরকারের উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি গুরুত্ব পাওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারা দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরু করার জোর দাবি জানিয়েছেন।
Tags:
জকিগঞ্জ
