বৈঠকে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সম্মানজনক, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়। প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ সংকটের স্থায়ী সমাধান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমীরে মজলিস আল্লামা মামুনুল হক বলেন, “রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ সমাধান দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেছি।”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মিয়ানমারে নতুন সরকার গঠনের প্রেক্ষাপটে একটি ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে আশা করা যায়। এই প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে—এমন প্রত্যাশাও তিনি ব্যক্ত করেন।
জবাবে রাষ্ট্রদূত ইউ কিয়াউ সোয়ে মোয়ে রোহিঙ্গা ইস্যুকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বৈঠকে উত্থাপিত বিষয়গুলো তিনি তার সরকারের কাছে যথাযথভাবে উপস্থাপন করবেন।
বৈঠকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষে যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন এবং পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব জনাব ফারিদ খান উপস্থিত ছিলেন। মিয়ানমার দূতাবাসের পক্ষে ডেপুটি চিফ অব মিশন হেত মিয়াত লুইন উপস্থিত ছিলেন।
উভয় পক্ষ পারস্পরিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখা এবং সংলাপের মাধ্যমে বিষয়গুলোর অগ্রগতি সাধনে একমত হন।
