বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে চাকসু মামুন, পছন্দের প্রতীক ‘ফুটবল’

 বহিষ্কারের পর স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে চাকসু মামুন, পছন্দের প্রতীক ‘ফুটবল’


আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৫ (কানাইঘাট–জকিগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত প্রথম সহ-সভাপতি মামুনুর রশীদ, যিনি রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘চাকসু মামুন’ নামে পরিচিত। নির্বাচনে অংশ নিতে তিনি নিজের পছন্দের প্রতীক হিসেবে ‘ফুটবল’ মার্কা চেয়ে আবেদন করেছেন।

মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় মামুনুর রশীদ তাঁর প্রথম পছন্দের প্রতীক হিসেবে ‘ফুটবল’ মার্কার কথা উল্লেখ করেন। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় অন্য কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী এই প্রতীক দাবি না করায়, চাকসু মামুনই ‘ফুটবল’ প্রতীক পাচ্ছেন—এমন প্রত্যাশা তাঁর সমর্থকদের মধ্যে দৃঢ় হয়েছে। ফলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার আগেই এলাকায় ‘ফুটবল’ প্রতীককে ঘিরে তৈরি হয়েছে নির্বাচনী আমেজ।

যদিও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতীক বরাদ্দের আনুষ্ঠানিক তারিখ আগামী ২১ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে, তবুও মামুনুর রশীদের সমর্থকরা এরই মধ্যে প্রচারণায় নেমে পড়েছেন। কানাইঘাট ও জকিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তাঁরা ‘ফুটবল’ প্রতীকের পক্ষে জনসংযোগ চালাচ্ছেন এবং ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে সমর্থন চাইছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ফুটবল মার্কার পক্ষে পোস্টার, ব্যানার ও ছবি শেয়ার করে প্রচারণা জোরদার করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, বিএনপির দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় সম্প্রতি মামুনুর রশীদ চাকসু মামুনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় পর্যায়ে সাংগঠনিক প্রভাবকে পুঁজি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই নির্বাচনী মাঠে শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে চান তিনি।

আগামী ২১ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবে। এরপর নির্বাচনী প্রচারণা আরও ব্যাপক ও পুরোদমে শুরু হবে বলে রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।

Previous Post Next Post